লোকশিল্পী দের ভিড় এবারের গ্রামবাংলার ভোটে – দক্ষিন দিনাজপুরে পরিবারের ৪জন বিজেপির প্রার্থী বাউল শিল্পী

0
1355
Election Commission of India clarifies Credibility of Electronic Voting Machines
Election Commission of India clarifies Credibility of Electronic Voting Machines
Azadi Ka Amrit Mahoutsav

পরিবারের ৪জন বিজেপির প্রার্থী বাউল শিল্পী

পল মৈত্র,দক্ষিন দিনাজপুরঃ পরিবারের সবাই লোকশিল্পী। বাউল গাইয়ে বলেই এলাকায় পরিচিত ওই পরিবার। ওই পরিবারেরই চার সদস্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়াই করছেন বিজেপি প্রার্থী হয়ে। এমনকি চারজনেই নিজ নিজ এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন বাউল গানের মধ্য দিয়ে। ভোট নিয়ে গানও বেঁধেছেন তারা।

হিলি থানার দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মণ দাস বাউল। বাউল শিল্পী হিসেবে জেলা সহ রাজ্যেও বেশ ভাল নাম ডাক রয়েছে তাঁর। লক্ষ্মণ দাস বাউলের পরিবারের চার বিজেপি প্রার্থী হলেন সুশীল মালো, তিবানী মালো, প্রিয়া মালো ও দীপা মালো। এঁদের মধ্যে সুশীল মালো ও দীপা মালো গ্রাম পঞ্চায়েতে, তিবানী মালো পঞ্চায়েত সমিতিতে ও জেলা পরিষদ থেকে বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন প্রিয়া মালো। এঁরা সকলেই একই পরিবারের সদস্য। সকলেই বাউল শিল্পী। এবার বিজেপির হয়ে নিজ নিজ এলাকায় প্রচারও করছেন তাঁরা। তবে বক্তৃতা নয়, নিজেদের প্রচারে বাউল গানকেই অন্যতম হাতিয়ার করেছেন এই শিল্পী প্রার্থীরা। প্রচারের জন্য নিজেদের মত করে গানও বেঁধেছেন তাঁরা। গানের মধ্যে তুলে ধরেছেন উন্নয়নের কথা বিজেপির কথা। সেইসঙ্গে তুলে ধরেছেন রাজ্য সরকারের দুর্নীতির কথাও।

লক্ষ্মণ দাস বাউল ও তার মেয়ে প্রিয়া মালো রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ভাতা পান। এক সময় ইন্দিরা গান্ধী, জ্যোতি বসু, মমতা ব্যানার্জীর ভোট প্রচারের জন্য গান বেঁধেছিলেন লক্ষ্মণ দাস বাউল। তবে রাজনীতি তার পছন্দ নয়। তাই এইবারও রাজনীতি নিয়ে তাঁর কোন মাথা ব্যাথা নেই। অন্যদিকে সুশীল মালো, তিবানী মালো, প্রিয়া মালো ও দীপা মালো সকলে গান নিয়েই থাকেন। তাই যে ক’দিন ভোট, সেই ক’দিন রাজনীতি, তারপর আবারও নতুন করে গান লেখা ও গান শোনানোতে ফিরে যাবেন তাঁরা।

এবিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী সুশীল মালো জানান, তাঁদের পরিবার থেকে তাঁরা চারজন ভোটে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা সকলেই বাউল শিল্পী। তবে ভোটে দাঁড়ানোর কোনও কথাই ছিল না তাঁদের। যেভাবে রাজনীতিতে নোংরামো, দুর্নীতি চলছে তার প্রতিরোধ করতেই তাঁরা ভোটে দাঁড়িয়েছেন।

জেলা পরিষদের প্রার্থী প্রিয়া মালো জানান, “ছোটো কাকা, ছোটো দাদুর মেয়ে, মেজো কাকার মেয়ে ও আমি ভোটে দাঁড়িয়েছি। সকলেই বিজেপির হয়ে লড়ছি। মোদি সরকারকে ভালোবেসে ফেলেছে মানুষ। অন্যদিকে মনোনয়ন জমা থেকেই তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে, এমনকি আমরা ভোটে দাঁড়িয়েছি বলেও যেভাবে হুমকি ও টাকার প্রলোভন দেখানো হয়েছে, তার প্রতিবাদেই আমরা ভোটে দাঁড়িয়েছি।”

Advertisements
IBGNewsCovidService
USD

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here